Semi final Isha Allah
1
The Cherisher and Sustainer of the Worlds ;
The Center of Islamic Research for Nuclear-Neuron (CIRNN) Chattogram-4100, BANGLADESH email: newscience1443@gmail.com
ইসলামী সৃষ্টি তত্ত্বের স্বরূপঃ পবিত্র কুরআনের
প্রথম সূরাহ আল আলাক্বের প্রথম আয়াতের প্রথম কালাম (বাক্য/সেন্টেন্স) এর শেষ শব্দটি
হচ্ছে খ্বলাক্ব (সৃষ্টি) । এই খ্বলক্বিয়াতের স্বরূপ বর্ণনা করে সূরাহ ইয়াসিনের ...নং
আয়াতে বলা হয়েছে, আপন ক্ষমতাবলে তিনি সৃষ্টি করেছেন আকাশ এবং পৃথিবী। আকাশ শুন্য স্থান
এবং উপগ্রহ-গ্রহ, নক্ষত্র-গ্যালাক্সি নিয়ে গঠিত। পবিত্র কুরআনে সৃষ্টির একাধিক ধারাবাহিকতা
বর্ণিত হয়েছে যথা ১) ٨٢- إِنَّمَا أَمْرُهُ إِذَا أَرَادَ شَيْئًا أَن يَقُولَ لَهُ كُن فَيَكُونُ ◯
82. Verily,
when He intends A thing, His Command is, “ Be ”, and it is !
ইচ্ছা করেছেন, কুন বলেছেন, ফায়াকুন অর্থাৎ তাতে হয়ে গেছে। ২) জেনে
রেখ, তাঁরই কাজ সৃষ্টি করা এবং অদেশ প্রদান করা। ৩) নিশ্চয় তোমাদের রব আল্লাহ, যিনি
আসমান ও জমিন ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তিনি আরশের উপর সমাসীন হন। ৪) তিনি কোনো
না কোনো কাজে রত আছেন।
বিজ্ঞানীদের দাবীঃ হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন বিস্ফোরিত হয়ে
বিগ ব্যাং নামে সর্ব প্রথম সৃষ্টি হয়েছে ফোটন, অতঃপর ভরসম্পন্ন হিগস বোসন, কোয়ার্ক,
ইলেক্ট্রন। মহাবিশ্বের সর্বপ্রথম বস্তুগত সৃষ্টি হচ্ছে ভর শুন্য ফোটন-(Photon) যাকে
আলোর কোয়ান্টা (Quanta) বলা হয়। অতঃপর হিগস
ফিল্ডে (Higgos Field) বিদ্যমান শক্তির সংস্পর্শে
এসে খুব সম্ভবতঃ ফোটন বা অন্য কোনো বস্ত্তকণা ভরত্ব লাভ করে পরিণত হয় হিগস বোসন
কণা। পরবর্তীতে যা কোয়ার্ক, ইলেকট্রন ইত্যাদি নাম ধারণ করে। এ পর্যন্ত প্রাকৃতিকভাবে
প্রাপ্ত বস্ত্তকণার সংখ্যা ১৬। অ্যানিয়ন নামে আরেকটি মৌলিক কণা প্রাপ্তির দাবী করছেন
বিজ্ঞানীরা।
১) ইচ্ছা করেছেন, কুন
বলেছেন, ফায়াকুন অর্থাৎ তাতে হয়ে গেছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে বলা যেতে পারে সৃষ্টির শুরুতে
কেবল মৌলিক কণারাই জন্ম নিয়েছিল। অতঃপর একাধিক মৌলিক কণার সংস্পর্শে এসে বর্তমান বস্ত্ত-পদার্থ
যৌগিক রূপে দৃশ্যমান হচ্ছে। যেমন ভরশুন্য (সম্ভবতঃ ফোটন) বস্তুকণা হিগস ফিল্ডে বিরাজমান
শক্তির সংস্পর্শে এসে ভরযুক্ত হিগস বোসন কণায় পরিণত হয়েছে। প্রোটনে প্রোটনে আন্তসংঘর্ষে
নতুন নতুন কণার উদ্ভব ঘটেছে প্রাকৃতিকভাবে। অতঃপর হাইড্রোজেন, হিলিয়াম ইত্যাদির আবির্ভাবের
পর গ্রহ-নক্ষত্রের উদ্ভব ঘটে।
٨١-
أَوَلَيْسَ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ بِقَادِرٍ عَلَىٰ أَن
يَخْلُقَ
জেনে রাখুন, নিশ্চয় আল্লাহ তায়ালা সৃষ্টির যাবতীয় বস্তুর উপর সর্বময় ক্ষমতা সম্পন্ন। আর আল্লাহ তায়ালার জ্ঞান সর্বব্যাপী, সৃষ্টির যাবতীয় বস্তুকে পরিবেষ্টিত।
সূর্য ও
চন্দ্র হিসাবে (সূত্রে) চলে।
সত্য দূরে নয়, কাছে (আইজাক নিউটন)
জমে থাকা শক্তি জমাটবদ্ধ বস্ত্তর মতই (আলবার্ট আইনস্টাইন)
প্রকৃতিতে এত এত কণা-এগুলো কী দিয়ে তৈরি?
প্রকৃতিতে এত এত কণা-এগুলো কী দিয়ে তৈরি কেউ জানে না। (বিজ্ঞানচিন্তা)।
CIRNN: এ যাবৎ পদার্থ বিজ্ঞান তথা ফিজিক্সের যত গবেষণা তা মূলতঃ মহাবিশ্বের বস্তুগত দিক-প্রসঙ্গে কেন্দ্রীভূত। আবার তা কেবল বস্তুর উদ্ভব-উৎপত্তি বা উৎসমূল কীভাবে তার উপর ভিত্তিশীল। কিন্তু কী দিয়ে তৈরি আজ পর্যন্ত কেউ জানে না। কীভাবে তৈরি?
এ প্রশ্নের সর্বশেষ যে জবাব বিজ্ঞানীরা পেয়েছেন তা হচ্ছেঃ প্রকৃতিতে এ যাবৎকালে প্রাপ্ত মোট মৌলিক ১৬টি কণার উৎপত্তি স্ট্রিংয়ের কম্পনের বিভিন্ন মাত্রার কারণে। মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরিতে এই হচ্ছে মহাবিশ্বের বস্তুগত গাঠনিক বিষয়ে সর্বশেষ তথ্য।
সির্ণের প্রশ্নঃ এই কম্পন কীভাবে উৎপত্তি হলো? এ প্রশ্নের সরাসরি উত্তরে বলা যায় শক্তি হচ্ছে কম্পনের উৎস।
পরীক্ষাঃ এক সরু শক্ত তার নিই এবং উভয় প্রান্ত শক্ত করে বেঁধে নিই। দেখা যাবে সরু তারটি নিরব, নিথর পড়ে অআছে। তারটি হালকাভাবে নাড়া দিলে মৃদু কম্পন দেখা দেবে । অআরও জোরে নাড়া দিলে কম্পনের সাথে মৃদু শব্দও শোনা যাবে। অআইনস্টাইনের ভরশক্তি সমীকরণমতে, কম্পন, শব্দ, বস্তু ও তার ভর এবং ওজন সবই শক্তি আর শক্তি মাত্র।
ডার্ক এনার্জি-ডার্ক
ম্যাটারঃ
বিজ্ঞানীরা মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরি
মতে ডার্ক এনার্জি-ডার্ক ম্যাটারের অস্তিত্ব অনুভব করেন নি, অধিকন্তু বিজ্ঞানীরা ডার্ক
ম্যাটারের মধ্যে আন্তঃসংঘর্ষ দেখে হতভম্ব হয়েছেন এ কারণে যে, প্রবল বেগে একে অপরের
উপর এমনভাবে আছড়ে পড়ে যাতে মনে হয় কিছুই হয়নি, তারা একে অপরে এ ফোড়ঁ ও ফোঁড় দিয়ে
অনায়াসে বেরিয়ে যেতে পারে অনেকটা ইলেকট্রনের মত তরঙ্গ ফাংশন ঘটিয়ে। তাই ডার্ক এনার্জি-ডার্ক
ম্যাটারকে নিছক বিজ্ঞানীদের টেলিপ্যাথি (অস্বাভাবিক কল্পনা) কিংবা ভাবোচ্ছাস বলে উড়িয়ে
দেয়া যায় না।
সির্ণ মনে করে, ডার্ক এনার্জি-ডার্ক ম্যাটার বিগ ব্যাং
উত্তর মহাজাগতিক ঘটনারই অংশ যা এ যাবৎ বিজ্ঞানীদের অনুভব-উপলদ্ধির তথা দৃষ্টিসীমার
বাইরে ছিল।
সির্ণ আরও মনে করে, ডার্ক এনার্জি-ডার্ক ম্যাটার বিগ ব্যাং পূর্ব হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনে পুন্জিভূত ছিল যেমনিভাবে মহাজাগতিক ৪ (চার)বল বিগ ব্যাং পূর্ব এমনকি স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরি মতে বিগ ব্যাংয়ের শুরুতেও চার বল হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনে পুন্জিভূত ছিল ।
স্ট্রিংয়ের বাস্তবতাঃ
স্ট্রিং
থিওরি মতে, স্ট্রিংয়ের কম্পনের মাত্রাই ঠিক করে দেয়ঃ কোনটি ইলেকট্রন কণা হবে, কোনটি
কোয়ার্ক কিংবা অন্য কোনো কণা হবে।
সির্ণ মনে করে, যেহেতু স্ট্রিং বিশেষজ্ঞদের দাবীঃ স্ট্রি এবং তার কম্পন কণা
জগতে অস্তিত্বশীল স্ট্রেন্জ কোয়ার্ক কিংবা ডার্ক এনার্জি-ডার্ক ম্যাটারের মতো অদৃশ্যমান
হলেও স্ট্রিং এবং তার কম্পনের জীবন্ত প্রমাণ
আছে। এ দাবীর সপক্ষে প্রমাণ পাওয়া যায় ২০১২ সালে সার্ণ কর্তৃক ল্যার্জ হ্যাড্রন কলাইডার
নামক তাদের নিজস্ব কণা চূর্ণকরণ সাইক্লোটন যন্ত্রের সাহায্যে লক্ষ গুণ
সৌর কেন্দ্রের তাপশক্তি নিঃস্মরণ করে বিলিয়ন, বিলিয়ন প্রোটন কণাকে প্রায় আলোর গতিতে
পরস্পর মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটিয়ে সেকেন্ডে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন কম্পন সৃষ্টি করে যে কণার
স্রোত বইয়ে দেয়া হয় এবং তাতে মহাজগতে প্রথম ভর প্রদানকারী আদি বস্ত্তকণা হিগসবোসনের
কৃত্রিম কণা আবিস্কারের মধ্য দিয়ে।
বিজ্ঞানের তাত্ত্বিক
ঝুঁকি, দ্বন্দ্ব নিরসনও জরুরী
বিজ্ঞান জগতে বিদ্যমান তাত্ত্বিক ঝুঁকি, সৃষ্ট দ্বন্দ্ব বিজ্ঞানকে
স্থবির করে দিতে পারে মর্মে বৈজ্ঞানিক নীতিনির্ধারণী মহলের সমূহ আশংকা। বিশেষ করে আলবার্ট
আইনস্টাইনের যুগান্তকরী দুটো তত্ত্বই চলতি সহস্রাব্দের একুশ শতকের দ্বিতীয় দশকে প্রায়
হুমকির মুখে পড়ায় বিজ্ঞানীদের আশংকা ছিল হয়তো নতুন করে পদার্থ বিজ্ঞানের তত্ত্ব রচনার
প্রয়োজন হতে পারে। কারণ, ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে সার্ণ কর্তৃক অপেরা প্রজেক্টের আওতায়
এক গবেষণায় অন্ততঃ ১৬ হাজার বার প্রমাণ পেয়েছে যে, নিউট্রিনো আইনস্টাইনের বেঁধে দেয়া
আলোর গতির অন্ততঃ ৬০ ন্যানো সেকেন্ড এগিয়ে আছে। এটি বাস্তব হলে আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব
স্বাভাবিকভাবে বাতিল হয়ে যাওয়ার কথা। এই আশংকায় স্টিফেন হকিংসহ খ্যাতনামা বিজ্ঞানীরা
সার্ণ-কে অপেরা প্রজেক্টের গবেষণা পুনঃরীক্ষার আবেদন জানানোর পরিপ্রেক্ষিতে সার্ণের
১৬০০১ তম পরীক্ষায় প্রমাণিত হয় যে, নিছক যান্ত্রিক তারের বিভ্রাটের কারণে নিউট্রিনোকে
৬০ ন্যানো সেকেন্ড অগ্রগামী দেখাচ্ছিল। এ যাত্রায় আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব
কোনো প্রকারে সুরক্ষা পেলেও ফের অস্তিত্ব সংকটে পড়ে ২০১২ সালে সার্ণ কর্তৃক ল্যার্জ
হ্যাড্রন কলাইডার নামক তাদের নিজস্ব কণা চূর্ণকরণ সাইক্লোটন যন্ত্রের সাহায্যে লক্ষ গুণ সৌর কেন্দ্রের তাপশক্তি নিঃস্মরণ করে বিলিয়ন,
বিলিয়ন প্রোটন কণাকে পরস্পর মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটিয়ে সেকেন্ডে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন কম্পন
সৃষ্টি করে যে কণার স্রোত বইয়ে দেয়া হয় এবং তাতে প্রোটন কণা গুলো প্রায় আলোর গতির
কাছাকাছি চলে এসেছিল। ফলে সায়েন্স ফিকশনিস্ট
ও নভো বিজ্ঞানীদের প্রত্যাশা, আলোর গতি ছাড়িয়ে যেতে পারে-এমন নভোতরী ওয়ার্ম হোল,
র্যাপ ড্রাইভ নির্মাণ সম্ভব। যদি তাই হয় তাহলে ভেঙ্গে পড়তে পারে আইনস্টাইনের ভরশক্তি
সমীকরণে বেঁধে দেয়া আলোর গতির নির্দিষ্ট সেকেন্ডে ১৮৬০০০ মাইলের মাত্রা।
উল্লেখ্য, সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত
আইনস্টাইন-কার্ল শোয়ার্জসিল্ডের স্বপ্নিল ব্ল্যাক হোল তত্ত্ব কি বাস্তব না কাল্পনিক-
এ প্রশ্ন দেখা দেয় বহু কাল থেকে । অবশেষে ২০১৯ সালে সরাসরি ব্ল্যাক হোলের চিত্র ধারণ
করে সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্বের বাস্তব প্রমাণ দিতে বিজ্ঞানীরা সক্ষম হয়।
সির্ণ মনে করে আলোর গতি বেড়ে গেলেও কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড
মডেলের সুরক্ষার জন্য আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব টিকিয়ে রাখা সম্ভব। কারণ,
এমনিতে বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্বেও আলোর গতি প্রতি সেকেন্ডে ১,৮৬,২০০ মাইলেরও অধিক।
ফ্যারাকশান (ভগ্নাংশ) বাদ দিয়ে ১৮৬,০০ মাইল ধরা হচ্ছে। সির্ণ মনে করে ২০০ মাইল অধিক
গতি এমনিতে রয়েছে, সেখানে নিউট্রিনোকে ৬০ ন্যানো সেকেন্ড অগ্রগামী দেখাতে অসুবিধা
থাকার কথা নয়।
সির্ণের প্রস্তাবঃ গ্রীনিচ মান
সময়ের মতো আলোর বেধে দেয়া ১,৮৬,০০০ মাইলকে “Einstein Standard Light Force”
(ESLF) ঘোষণা করা হয়।
Comments
Post a Comment