Posts

কেন আমরা মুসলমানদের আবারও বিজ্ঞানে ফেরা?

  কেন আমরা মুসলমানদের আবারও বিজ্ঞানে ফেরা? প্রথমতঃ পবিত্র ইসলাম মধ্যপন্থার নীতি আদর্শে প্রতিষ্ঠিত। ইসলাম তাই একাধারে পারলৌকিক ও ইহলৌকিক উভয় বিষয়ের দিক নির্দেশক।ইহলোকিক বিষয়াবলীর মধ্যে বিজ্ঞান অন্যতম। ইসলামকে বলা হয় মানব ফিতরাতের ধর্ম।সত্য হচ্ছে ইসলামের মৌলিক ভিত্তি। যুগে যুগে নবিয়্যিন-সিদ্দিকীনরা সত্য প্রচার করেছেন এই বলেঃ ওয়ামা আলাইনা ইল্লাল বালাগুল মুবিন-সত্য প্রচারই আমাদের (নবী-রসূলদের)কাজ।বলা হয়ে থাকে, বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা সেদিন থেকে শুরু যেদিন মানব মনে সত্যকে জানার আগ্রহ জাগে।সুতরাং, বিজ্ঞান মনস্কতা সত্য মনস্কতার নামান্তর যা মানব ফিতরাতের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ।তাই যুগে যুগে মানব জাতি রোম সভ্যতার নামে, গ্রীক সভ্যতার নামে কিংবা মিশরীয় মেসোপডিয়ান সভ্যতার নামে কিংবা মধ্যযুগে অআব্বাসীয়, ফাতেমী কিংবা স্পেনের অআলহামরায় ইসলামী সভ্যতার নামে বিজ্ঞান চর্চা হয়েছিল।কিন্তু পরিতাপের বিষয় যে, এ প্রজন্মের মুসলমান ভুলেই গেছেন যে, তাঁরা বিজ্ঞানী জাতি। ভুলে যাওয়ার কারণে অআজ মুসলিম সমাজে নেমে এসেছে চতুর্মুখী নানান অপবাদ, লান্থনা, কুটুক্তি, নির্যাতন। এমনকি মধ্যযুগীয় মুসলিম বিজ্ঞানের উর্বরতাকে অস্বীক...

বিশ্ব জগৎ এবং তার বুদ্ধিদীপ্ত ক্রম বিকাশের ইতিহাস

  বিশ্ব জগৎ এবং তার বুদ্ধিদীপ্ত ক্রম বিকাশের ইতিহাস ভূমিকাঃ স্থান ও সময় এবং এদের অন্তর্ভুক্ত সকল বিষয় নিয়েই মহাবিশ্ব ।। পৃথিবী এবং অন্যান্য সমস্ত   গ্রহ , সূর্য ও অন্যান্য তারা ও নক্ষত্র , জ্যোতির্বলয়স স্থান ও এদের অন্তর্বর্তীস্থ গুপ্ত পদার্থ , ল্যামডা-সিডিএম নকশা   ও শূণ্যস্থান (মহাকাশ) - যেগুলো এখনও তাত্ত্বিকভাবে অভিজ্ঞাত কিন্তু সরাসরি পর্যবেক্ষিত নয় - এমন সবপদার্থ ও শক্তি মিলে যে জগৎ তাকেই বলা হচ্ছে মহাবিশ্ব । পুরো বিশ্বের আকার অজানা হলেও এর উপাদান ও সৃষ্টিধারা নিয়ে বেশ কয়েকটি hypotheses বিদ্যমান।   মহাবিশ্বের উৎপত্তি সংক্রান্ত বিষয়কে বলে বিশ্বতত্ত্ব। দৃশ্যমান মহাবিশ্বের সুদূরতম প্রান্তের পর্যবেক্ষণ ও বিভিন্ন তাত্ত্বিক গবেষণায় মনে হয় মহাবিশ্বের প্রতিটি প্রক্রিয়াই তার সৃষ্টি থেকেই একই ধরণের প্রাকৃতিক নিয়ম ও কয়েকটি নির্দিষ্ট ধ্রুবক দ্বারা নির্ধারিত। মহাবিশ্বের বীজ (Seeds) : “উচ্চশক্তির বিকিরণ” [Highest Energetic Radiation (HER)] . মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরিমতে, মহাবিশ্বের সূচনা হয় বিগ ব্যাংয়ের পর। বিগ ব্যাংয়ের পূর্বেকার অবস্থা স...

সৃষ্টি তত্ত্ব

- أَوَلَيْسَ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ بِقَادِرٍ عَلَىٰ أَن يَخْلُقَ مِثْلَهُم ۚ بَلَىٰ وَهُوَ الْخَلَّاقُ الْعَلِيمُ ◯ “ Is not He Who created The heavens and the earth Able to create the like Thereof ?”—Yea, indeed ! For He is the Creator Supreme, Of skill and knowledge (infinite) !  (Source: https://quranyusufali.com/36/). - إِنَّمَا أَمْرُهُ إِذَا أَرَادَ شَيْئًا أَن يَقُولَ لَهُ كُن فَيَكُونُ ◯ Verily, when He intends A thing, His Command is, “ Be ”, and it is ! (Source: https://quranyusufali.com/36/). يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ ۖ He knoweth what (appeareth to his creatures as) before or after or behind them.(Surah Al Baqorah: Ayat: 255).   عَالِمُ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ ۖ Who knows (all things) Both secret and open;  (Source:  https://quranyusufali.com/59/ ).   وَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ ◯ And He is the Exalted In Might, the Wise. (Source: aforesaid).   সৃষ্টি তত্ত্বঃ  اِنَّ رَبَّک...

Semi final Isha Allah

1 ١. بِسۡمِ ٱللهِ ٱلرَّحۡمَـٰنِ ٱلرَّحِيمِِ ◯ 1. In the name of Allah, Most Gracious, Most Merciful. ٢. ٱلۡحَمۡدُ لِلَّهِ رَبِّ ٱلۡعَـٰلَمِينَِ ◯ 2. P raise be to Allah, The Cherisher and Sustainer of the Worlds ; The Center of Islamic Research for Nuclear-Neuron (CIRNN)                                              Chattogram-4100, BANGLADESH                                                                   email:   newscience1443@gmail.com  ইসলামী সৃষ্টি তত্ত্বের স্বরূপঃ পবিত্র কুরআনের প্রথম সূরাহ আল আলাক্বের প্রথম আয়াতের প্রথম কালাম (বাক্য/সেন্টেন্স) এর শেষ শব্দটি হচ্ছে খ্বলাক্ব (সৃষ্টি) । এই খ্বলক্বিয়াতের স্বরূপ বর্ণনা করে সূরাহ ইয়াসিনের ...নং আয়াতে বলা হয়েছে, আপন ক্ষমতাবলে তিনি সৃষ...

স্ট্রিং (বাংলা) তত্ত্ব DRAFT

 স্ট্রিং (বাংলা) তত্ত্ব তাত্ত্বিক পদার্থ বিজ্ঞান মতে কণার স্বরূপ কণা তাত্ত্বিক পদার্থ বিজ্ঞানের মতে, মৌলিক কনিকারা হল মাত্রাহীন বিন্দুর মত। জ্যামিতিক ভাষায় বিন্দুর সংজ্ঞা হচ্ছে: “যার দৈর্ঘ্য প্রস্থ ও উচ্চতা নেই তাকেই বিন্দু বলে”। অর্থাৎ যে কণার দৈর্ঘ্য,প্রস্থ ও উচ্চতা নেই , বাস্তবে তার কোন মাত্রাও থাকার কথা নয়।সুতরাং, কণা তাত্ত্বিক পদার্থ বিজ্ঞানের মতে, মৌলিক কনিকারা হলো অনুরূপ মাত্রাহীন বিন্দুদের মত। স্ট্রিং তাত্ত্বিক পদার্থ বিজ্ঞান মতে কণার স্বরূপ পক্ষান্তরে স্ট্রিং থিওরি মতে, মৌলিক কণিকারা মাত্রাহীন বিন্দুর মত নয়, বরং এগুলো হলো একমাত্রিক তারের মত। একটি তারের যেমন শুধু দৈর্ঘ্য আছে; মৌলিক কণারাও ঠিক তেমনি। এ কারণেই এই তত্ত্বের নামও হয়েছে স্ট্রিং থিওরি বা তার-তত্ত্ব।(সূত্রঃ https://www.linkedin.com/pulse/ সটর-থওর-বজঞনদর-আশর-আল- ramzan-hossain/ )। স্ট্রিং থিওরিমতে কণাগুলি কম্পমান অতি সূক্ষ্ণ সুতা/তারের ন্যায় স্ট্রিং থিওরীমতে, প্রাপ্ত কণাগুলো অসলে এক ধরণের সুতার কম্পন যা আমরা কণা (পার্টিকেল) হিসাবে দেখে থাকি। স্ট্রিং থিওরিমতে কম্পমান সূক্ষ্ণ সুতা/তারের উৎসমূল শক্তি (Energ...