সৃষ্টি তত্ত্ব
- أَوَلَيْسَ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ بِقَادِرٍ عَلَىٰ أَن يَخْلُقَ مِثْلَهُم ۚ بَلَىٰ وَهُوَ الْخَلَّاقُ الْعَلِيمُ ◯
“ Is not He Who created The heavens and the earth Able to create the like Thereof ?”—Yea, indeed ! For He is the Creator Supreme, Of skill and knowledge (infinite) !
(Source: https://quranyusufali.com/36/).
- إِنَّمَا أَمْرُهُ إِذَا أَرَادَ شَيْئًا أَن يَقُولَ لَهُ كُن فَيَكُونُ ◯
Verily, when He intends A thing, His Command is, “ Be ”, and it is !
(Source: https://quranyusufali.com/36/).
يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ
وَمَا خَلْفَهُمْ ۖ
He knoweth what (appeareth to his creatures as) before or after or behind them.(Surah Al Baqorah: Ayat: 255).
عَالِمُ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ ۖWho knows (all things) Both secret and open; (Source: https://quranyusufali.com/59/).
وَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ ◯And He is the Exalted In Might, the Wise. (Source: aforesaid).
সৃষ্টি তত্ত্বঃ
اِنَّ رَبَّکُمُ اللّٰهُ الَّذِیۡ خَلَقَ السَّمٰوٰتِ وَ الۡاَرۡضَ فِیۡ سِتَّۃِ اَیَّامٍ ثُمَّ اسۡتَوٰی
নিশ্চয় তোমাদের রব আসমানসমূহ ও যমীন ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন। (সূরাহ আল আরাফঃ আয়াতঃ ৫৪)।
Indeed, your Lord is Allah, who created the heavens and earth in six days.
(১) এখানে নভোমণ্ডল ও ভূমণ্ডলের সৃষ্টি ছয় দিনে সমাপ্ত হওয়ার কথা বলা হয়েছে। এর ব্যাখ্যা দিয়ে সূরা ফুসসিলাতের নবম ও দশম আয়াতে বলা হয়েছে যে, দুদিনে ভূমণ্ডল, দুদিনে ভূমণ্ডলের পাহাড়, সমুদ্র, খনি, বৃক্ষ, উদ্ভিদ এবং মানুষ ও জন্তুজানোয়ারের পানাহারের বস্তু-সামগ্ৰী সৃষ্টি করা হয়েছে। মোট চার দিন হল। বলা হয়েছেঃ (خَلَقَ الْأَرْضَ فِي يَوْمَيْنِ) আবার বলা হয়েছে (وَقَدَّرَ فِيهَا أَقْوَاتَهَا فِي أَرْبَعَةِ أَيَّامٍ) যে দুদিনে ভূমণ্ডল সৃষ্টি করা হয়েছে, তা ছিল রবিবার ও সোমবার। দ্বিতীয় দুদিন ছিল মঙ্গল ও বুধ, যাতে ভূমণ্ডলের সাজ-সরঞ্জাম পাহাড়, নদী ইত্যাদি সৃষ্টি করা হয়। এরপর বলা হয়েছেঃ (فَقَضَاهُنَّ سَبْعَ سَمَاوَاتٍ فِي يَوْمَيْنِ) অর্থাৎ “অতঃপর সাত আকাশ সৃষ্টি করেন দুদিনে [সূরা ফুসসিলাতঃ ১২ বাহ্যতঃ এ দুদিন হবে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার; অর্থাৎ এ পর্যন্ত ছয় দিন হল। [আদওয়াউল বায়ান]
(২) জানা কথা যে, সূর্যের পরিক্রমণের ফলে দিন ও রাত্রির সৃষ্টি। নভোমণ্ডল ও ভূমণ্ডল সৃষ্টির পূর্বে যখন চন্দ্ৰ-সূৰ্যই ছিল না, তখন ছয় দিনের সংখ্যা কি হিসাবে নিরূপিত হল? কোন কোন তাফসীরবিদ বলেছেনঃ ছয় দিন বলে জাগতিক ৬ দিন বুঝানো হয়েছে। কিন্তু পরিস্কার ও নির্মল উত্তর এই যে, সূর্যোদয় থেকে সূর্যস্ত পর্যন্ত যে দিন এবং সূর্যস্ত থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত যে রাত এটা এ জগতের পরিভাষা। বিশ্ব সৃষ্টির পূর্বে আল্লাহ্ তা'আলার কাছে দিবা-রাত্রির পরিচয়ের অন্য কোন লক্ষণ নির্দিষ্ট থাকতে পারে; যেমন জান্নাতের দিবা-রাত্রি সূর্যের পরিক্রমণের অনুগামী হবেনা। সহীহ বর্ণনা অনুযায়ী যে ছয় দিনে জগত সৃষ্টি হয়েছে তা রবিবার থেকে শুরু করে শুক্রবার শেষ হয়।
[1] এই ছয় দিন হল, রবিবার, সোমবার, মঙ্গলবার, বুধবার এবং বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার। জুমআর দিনেই আদম (আঃ)-কে সৃষ্টি করা হয়েছে। শনিবারের দিন সম্পর্কে বলা হয় যে, এ দিনে কোন কিছু সৃষ্টি করা হয় নি। এই জন্যই এ দিনকে يوم السبت (শনিবারের দিন) বলা হয়। কারণ, سبت এর অর্থ ছিন্ন করা। অর্থাৎ, এ দিনে সৃষ্টি করার কাজ ছিন্ন বা শেষ ছিল। অতঃপর এই দিনগুলোর মধ্যে কোন্ দিন বুঝানো হয়েছে? আমাদের দুনিয়ার এই দিন, যা সূর্যোদয় থেকে আরম্ভ হয়ে সূর্যাস্ত গেলে শেষ হয়ে যায়? নাকি এ দিন হাজার বছরের সমান দিন? যেভাবে আল্লাহর নিকট দিনের গণনা হয় সেই দিন, না যেভাবে কিয়ামতের দিনের ব্যাপারে আসে সেই দিন? বাহ্যতঃ দ্বিতীয় এই উক্তিই সর্বাধিক সঠিক মনে হচ্ছে। কারণ, প্রথমতঃ সে সময় চাঁদ ও সূর্যের এই নিয়মই ছিল না। আসমান ও যমীন সৃষ্টির পরই এ নিয়ম চালু হয়েছে। দ্বিতীয়তঃ এটা ঊর্ধ্ব জগতের ব্যাপার যার দুনিয়ার রাত-দিনের সাথে কোন সম্পর্ক নেই। কাজেই এই দিনের প্রকৃতার্থ মহান আল্লাহই বেশী ভাল জানেন। আমরা নিশ্চয়তার সাথে কিছু বলতে পারি না। তাছাড়া মহান আল্লাহ তো كُنْ শব্দ দ্বারা সব কিছুই সৃষ্টি করতে পারতেন, তা সত্ত্বেও তিনি প্রতিটি জিনিসকে পৃথক পৃথকভাবে পর্যায়ক্রমে বানিয়েছেন কেন? এরও যুক্তি ও কৌশলগত ব্যাপারে তিনিই সর্বাধিক জ্ঞাত। তবে কোন কোন আলেম এর একটি যৌক্তিকতা সম্পর্কে বলেছেন যে, এতে মানুষকে ধীর-স্থিরতার সাথে শান্তভাবে এবং পর্যায়ক্রমে কার্যাদি সম্পাদন করার শিক্ষা দেওয়া হয়েছে। আর আল্লাহই অধিক জানেন।https://www.hadithbd.com/quran/subjectwise/detail/?pageNum_tafsirquran=2&totalRows_tafsirquran=111&sub=35
প্রতিটি জীব এমনকি গাছেরও প্রাণ আছে
পদাথের প্রান হচ্চে স্ট্র্রিং এর কম্পন
ডেক্সটপ কম্পিউটারের প্রান হচ্চে বিদ্যুত
ইন্টারনেটের প্রাণ হচ্ছেঃ ওয়াইফাই।
বিগ ব্যাংয়ের প্রাণ হচ্ছেঃ হাইয়েস্ট এনার্জেটিক
রেডিয়েশন
হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের প্রাণ কী? এ বিষয়ে
না প্রশ্ন রয়েছে না উত্তর রয়েছে।অআধুনিক পদার্থ বিজ্ঞান মহাবিশ্বের উদ্ভবের উৎসমূল
বিগ ব্যাংয়ের মধ্যে এবং বিগ ব্যাংয়ের উৎসমূল
খুঁজে পেয়েছেন হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনে। সার্ণ নিয়ন্ত্রিত মডার্ণ কসমোলজিক্যাল
স্ট্যান্ডার্ড মডেল তত্ত্ব এখানেই স্থির রয়েছে।সির্ণ মনে করে, হাইয়েস্ট এনার্জেটিক
রেডিয়েশনেরও আপাততঃ মূল রয়েছে। মূলটির আপাততঃ উত্তর হচ্ছে প্রকৃতি যে শব্দের ব্যবহার
রয়েছে মহাবিশ্বের গাঠনিক তত্ত্বের পরতে পরতে।
সত্বাটি হতে হবে অতি উচ্চ মর্যাদাশীলঃ ওয়ান্নাহু তায়া’লা জাদ্দু রব্বানাঃ আর অবশ্যই আমাদের রবের মর্যাদা অতি উচ্চ।হতে হবেঃ মহিমান্বিত এবং সত্যিকার বাদশাহ। তাঁর বাদশাহী একক, নিরংকুশ। এতে কারো অংশ নেই।ওয়ালাম ইয়াকুল্লাহু শারিকুন ফিল মুলকিঃ এবং তাঁর আধিপত্যে কোনো শরীকও নেই, ওয়ালাম ইয়া কুল্লাহু ওয়ালিউম মিনাজ্জুল্লিঃ আর তাঁর কোনো দূর্বলতাও নেই যে কারণে তাঁর কোনো সাহায্যকারী প্রয়োজন হতে পারে। তিনি আ’রশে আজীমের উপর অধিষ্ঠিত।তিনি সুবহা-নঃ পবিত্র, স্বমাদঃ অমুখাপেক্ষি।
Comments
Post a Comment