Draft (Bengali)
DRAFT
বৈজ্ঞানিক ভাষ্যমতে Highest Energetic Radiation-এ মহাবিস্ফোরণ (big bang) ঘটার পর মুহুর্তে তাপমাত্রা ১০৪৩ k থেকে দ্রুত ১০৩৮-এ নেমে আসে তখন (highest energetic photon) কণিকারা নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটিয়ে পদার্থ কণিকা হিসেবে প্রথম বারের মত ‘কোয়ার্ক’ এবং এন্টি কোয়ার্ক এর জন্ম দেয়। অতঃপর তাপমাত্রা যখন আরো নিচে নেমে 10¹³k কেলভিনে দাঁড়ায় তখন কোয়ার্ক এবং এন্টি কোয়ার্কের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। এতে উভয় এর ব্যাপক ধ্বংস সাধন ঘটে এবং অবশিষ্ট থেকে যায় কিছু কোয়ার্ক। এরপর যখন তাপমাত্রা আরো কমে গিয়ে 10¹ºk কেলভিন-এ দাঁড়ায় তখন ৩টি কোয়ার্ক (১টি আপ কোয়ার্ক এবং ২টি ডাউন কোয়ার্ক মিলিত হয়ে প্রোটন কণিকা (Proton Particle) এবং ৩টি কোয়ার্ক (২টি আপ কোয়ার্ক এবং ১টি ডাউন কোয়ার্ক) মিলিত হয়ে নিউট্রন কণিকা (Neutron Particle) সৃষ্টি হতে থাকে। তারপর তাপমাত্রা যখন 10000000000 কেলভিন-এ নেমে আসে তখন পরিবেশ আরো অনুকুলে আসায় সৃষ্ট প্রোটন কণিকা ও নিউট্রন কণিকা পরষ্পর মিলিত হয়ে প্রথমবারের মত মহাবিশ্বে এটমিক নিউক্লি গঠিত হতে থাকে। এরপর তাপমাত্রা আরও কমে গিয়ে 1000000000 কেলভিন তখন এটমিক নিউক্লি মহাবিশ্বে বিক্ষিপ্ত ভাবে ছুটে চলা ইলেকট্রনিক কণিকাকে (Electronic Particle) চর্তুদিকের কক্ষপথে ধারণ করে। ফলে প্রথমবারের মত অণু'র (atoms) সৃষ্টি হয়। আরও পরে যখন তাপমাত্রা ৩,০০০ কেলভিনে উপনীত হয় তখন মহাবিশ্বের মূল সংগঠন গ্যালাক্সি (Galaxy) সৃষ্টি হতে থাকে। পরবর্তীতে এর ভেতর নক্ষত্র, গ্রহ, উপগ্রহ ইত্যাদি সৃষ্টি হতে থাকে। অতঃপর তাপমাত্রা যখন আরো নিম্নগামী হয়ে মাত্র ৩ কেলভিনে নেমে আসে তখন সার্বিক পরিবেশ অনুকূলে থাকায় পৃথিবীতে গাছ-পালা, জীব-জন্তু ও প্রাণের ব্যাপক সমাবেশ সমাগম ঘটতে থাকে-এই হচ্ছে পদার্থভিত্তিক মহাবিশ্বের আধুনিক বৈজ্ঞানিক ধারণা।
মহাকর্ষঃ মহান আল্লাহর অশেষ রহমত
বায়ুর প্রবল উর্ধ্বচাপ উপেক্ষা করে আমরা যেভাবে
পৃথিবীর ভূত্বকে আটকে থাকি
0- إِنَّ اللَّـهَ يُمْسِكُ
السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ أَن تَزُولَا ۚ وَلَئِن زَالَتَا إِنْ أَمْسَكَهُمَا
مِنْ أَحَدٍ مِّن بَعْدِهِ ۚ إِنَّهُ كَانَ حَلِيمًا غَفُورًا ◯
“নিশ্চয়
আল্লাহ্ আসমানসমূহ ও যমীনকে ধারণ করেন, যাতে তারা স্থানচ্যুত না হয়, আর যদি তারা
স্থানচ্যুত হয়, তবে তিনি ছাড়া কেউ নেই যে, তাদেরকে ধরে রাখতে পারে।(১) নিশ্চয় তিনি
অতি সহনশীল, অসীম ক্ষমাপরায়ণ” (সূরাহ ফাতির, আয়াতঃ ৪১)।
“আপনি কি দেখতে পান না যে, আল্লাহ
তোমাদের কল্যাণে নিয়োজিত করেছেন। পৃথিবীতে যা কিছু আছে সেসবকে এবং তাঁর নির্দেশে
সাগরে বিচরণশীল নৌযানসমূহকে? আর তিনিই আসমানকে ধরে রাখেন যাতে তা পড়ে না যায়
যমীনের উপর তাঁর অনুমতি ছাড়া। নিশ্চয় আল্লাহ মানুষের প্রতি স্নেহপ্রবণ, পরম
দয়ালু।” [সূরা আল-হাজ্জ: ৬৫] [আত-তাফসীরুস সহীহ]
তাঁর অন্যতম নিদর্শন এই যে, তাঁরই আদেশে আকাশ ও পৃথিবী প্রতিষ্ঠিত আছে।’’ (সূরা রূম ২৫)
এটা আল্লাহ তাআলার অসীম ক্ষমতার সাথে সাথে তাঁর অসীম দয়া এই যে, তিনি আকাশ ও পৃথিবীকে ধারণ করে রেখেছেন এবং তা আপন স্থান হতে নড়াচড়া করতে ও হিলতে দেন না; নচেৎ চোখের পলকে পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে। কারণ তিনি যদি তাকে ধারণ না করেন ও তার স্থান থেকে নড়াচড়া করতে দেন, তাহলে তিনি আল্লাহ ছাড়া এমন কোন শক্তি নেই, যে তাকে ধারণ করে রাখবে।
মহাকর্ষঃ সত্যিই মহান আল্লাহর অশেষ রহমত
মহাকর্ষঃ আল্লাহর অশেষ রহমত। মহাকর্ষ এক রহস্যময় বল। তাকে না প্রকৃতভাবে
সনাক্ত করেছেন আইজ্যাক নিউটন না আলবার্ট আইনস্টাইন। এখনও মহাকর্ষ সায়েন্স ফিকশনের অন্তর্ভূক্ত
রয়ে গেছে। টানে কিন্ত্ত জড়ায় না বলে কেউ কেউ উপসংহার টেনে ক্ষ্যান্ত হন। যেমন প্রথম
মহাকাশ কত বড়? তার উপসংহারঃ জানা মহাকাশের চাইতে অজানা মহাকাশ অ-নে-ক বড়। আয় কম, ব্যয়ও
কম-এটাকে বলা হয় বরকত। অআয় বেশি, ব্যয় কম এটাকে বলা হয় রহমত। আয় বেশি, ব্যয়ও বেশি এটাকে
বলা হয় না বরকতি। বলা হয় মহাকর্ষ অতি দূর্বল, কত দূর্বল তা ভাবতেও হতবাক হতে হয়। সেই
মহাকর্ষ নাকি আমাদেরকে পৃথিবীর ভূপৃষ্টে আটকে রাখতে মূল ভূমিকা পালন করেছে। যদি তা-ই
হয়ে থাকে তাহলে ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে বলা যেতে পারেঃ মহাকর্ষ আমাদের জন্য বরকত স্বরূপ।
অতি অল্প সময়ের মধ্যে মিরাজে যাওয়া-আসাতে লেগেছে খুব কম সময়। বলা যায়, সময়ে বরকত হয়েছে।
মহাকর্ষ কেবল দূর্বল বিবেচনায় কেবল বরকত নয়, রহমতও বটে। এত দূর্বল মহাকর্ষ বাতাসের
উর্ধ্বগতিকে মোকাবিলা করে অআমাদেরকে তুলার মত উড়িয়ে যাওয়াকে সুরক্ষা দিচ্ছে তাই মহাকর্ষকে
আল্লাহর রহমত বলা যেতে পারে। যদি মহাকর্ষকে বরকত-রহমত যাই বলি না কেন, সবই ভেস্তে যাবে
যদি মহাকর্ষকে উর্ধ্বাকাশীয় বিষয় মনে করি এবং আমাদেরকে টানে বিশ্বাস করি। মহাকর্ষকে
যদি মধ্যাকর্ষণ মনে করি তাহলে মহাকর্ষ নিয়ে অন্ততঃ আমাদের এই পার্থিব জীবনে সকল ক্রেডিট
অর্জন মধ্যাকর্ষণকে সপেঁ দিতে হয় বৈকি। মধ্যাকর্ষণ শক্তি আবিস্কারক নিউটন অবশ্য মহাকর্ষ
আর মধ্যাকর্ষণকে পৃথক মনে করতেন । পৃথিবীর জন্য যা মধ্যাকর্ষণ, মহাকাশের জন্য তা মহাকর্ষ
তা পৃথক সত্বায়। পৃথিবীতে মধ্যাকর্ষন কাছে টানে এবং জড়ায় কিন্ত্ত মহাকাশে মহাকর্ষকে
টানতে না দেখে নিউটন হতবাক হয়েছিলেন বৈকি। মধ্যাকর্ষণের মতো মহাকর্ষ হলে তখন মহাকাশে
গ্রহ-নক্ষত্রের মধ্যে একপ্রকার টানাটানির মহড়া চলতো। পৃথিবীকে চাঁদকে, সূর্য পৃথিবীকে
টেনে নিতো নিজেদের বুকে। যদি তাই হতো তাহলে পৃথিবীর মানব-দানব, জীব জন্ত্ত শাহী কাবাবে
পরিণত হতো। এ কারণে নিউটন হতবাক হয়েছিলেন, চুপসে গিয়েছিলেন। ‘ইমানিসনিজম’ (মহাবিশ্বের উৎপত্তি,
সৃষ্টি ও পরিবর্তন সম্পকিত একটি ধারণার নাম। ইংরেজী ‘Emanisnism’ শব্দটি এসেছে ল্যাটিন ‘Emanare’ শব্দ থেকে যার অর্থ To flow from...to pour
fourth or out of অর্থাৎ
কোন উৎস হতে বয়ে আসা, প্রবাহিত বা আগত, উৎসারিত ইত্যাদি। ইমানিজমের ধারণা-বিশ্বাস
হচ্ছে, সব সৃষ্টির, সব বস্তুর উদ্ভব হয়েছে First Reality বা First Principle বা Perfect God থেকে। ইমানিশনিজম হচ্ছে Transcendental Principle অর্থাৎ অলৌকিক বা মানুষের
জ্ঞানে কুলায় না-এমন একটি বিষয় (Beyond human knowledge: Source: A Student Dictionary)|
শব্দ (সাউন্ড) কেবলই শব্দ বা ধ্বনি বিশেষ নয়। আলবার্ট আইনস্টাইনের ভরশক্তি সমীকরণ তত্ত্বমতে, এক একটা শব্দ যেন এক একটি ভর (ম্যাস), ওজন (ওয়েট) এবং শক্তি (এনার্জি) বিশেষ। উদাহরণ স্বরূপ এক একটা পানির বিন্দু শুরুতে অক্সিজেন আর হাইড্রোজেনের অণু কণা ব্যতিত আর কিছুই নয় যা মিথস্ত্রিয়ার মাধ্যমে পানির অণু কণায় পরিণত হয়। এই পানি বিন্দুই কখনও প্লাজমা, কখনও বাষ্প, কখনও মেঘ-বৃষ্টি-শিলা বা বরফ খন্ডে রূপ-রূপান্তর ঘটে। একটি মাটি চাপায় পতিত গাছের অপূর্ব রূপ রূপান্তর ঘটে। দীর্ঘদিন মাটি চাপা গাছটি পর্যায়ক্রমে কয়লা >হীরা>পেট্রোল ইত্যাদি। অনুরুপ এক একটি শব্দ পদার্থ বিজ্ঞানের এক একটি রত্ন বিশেষ।
ইহকালে পৃথিবীতে উচ্চারিত প্রতিটি শব্দের ওজন হবে পরকালে
١. بِسۡمِ ٱللهِ ٱلرَّحۡمَـٰنِ ٱلرَّحِيمِِ ◯
The Cherisher and Sustainer of the Worlds ;
আর সেদিন ওজন (১) যথাযথ হবে।(২) সুতরাং
যাদের পাল্লা ভারী হবে তারাই সফলকাম হবে।(৩)
“আর কেয়ামতের দিনে আমরা ন্যায়বিচারের মানদণ্ড স্থাপন করব, সুতরাং
কারো প্রতি কোন যুলুম করা হবে না এবং কাজ যদি শস্য দানা পরিমাণ ওজনেরও হয় তবুও তা
আমরা উপস্থিত করব।” [সূরা আল-আম্বিয়া: ৪৭]
“নিশ্চয়
আল্লাহ অণু পরিমাণও যুলুম করেন না। আর কোন পুণ্য কাজ হলে আল্লাহ সেটাকে বহুগুণ বর্ধিত
করেন এবং আল্লাহ তার কাছ থেকে মহাপুরস্কার প্রদান করেন।” [সূরা আন-নিসা: ৪০] অনুরূপভাবে
‘হাদীসে বিতাকাহ’ নামে বিখ্যাত হাদীসেও [দেখুন, ইবন মাজাহঃ ৪৩০০; তিরমিযী ২১২৭] সেটা
বর্ণিত হয়েছে।
মানুষের
ভাল-মন্দ কাজকর্ম কোন জড় পদার্থ নয় যে, এগুলোকে ওজন করা যেতে পারে। এমতাবস্থায়
কাজকর্মের ওজন কিরূপে করা হবে? উত্তর এই যে, প্রথমতঃ আল্লাহ্ তা'আলা সর্বশক্তিমান।
তিনি সব কিছুই করতে পারেন। অতএব, আমরা যা ওজন করতে পারি না আল্লাহ্ তা'আলাও তা ওজন
করতে পারবেন, এটা বিচিত্র কিছু নয়। দ্বিতীয়তঃ আজকাল জগতে ওজন প্রায়োজন নেই।
এসব
নবাবিস্কৃত যন্ত্রের সাহায্যে আজকাল এমন বস্তুও ওজন করা যায়, যা ইতোপূর্বে ওজন
করার কল্পনাও করা যেত না। আজকাল বাতাসের চাপ এবং বৈদ্যুতিক প্রবাহও ওজন করা যায়।
এমনকি শীত-গ্রীষ্ম পর্যন্ত ওজন করা হয়। এগুলোর মিটারই এদের দাড়িপাল্লা। যদি
আল্লাহ তা'আলা স্বীয় অসীম শক্তি-বলে মানুষের কাজকর্ম ওজন করে নেন, তবে এতে
বিস্ময়ের কিছুই নেই।
আমলের
ওজন পদ্ধতিঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কিয়ামতের দিন কিছু
মোটাআ লোক আসবে। তাদের মূল্য আল্লাহ্র কাছে মশার পাখার সমানও হবে না। এ কথার
সমর্থনে কুরআনুল কারীমের এ আয়াত পাঠ করলেন। (فَلَا نُقِيمُ
لَهُمْ
يَوْمَ
الْقِيَامَةِ
وَزْنًا)
অর্থাৎ কেয়ামতের দিন আমি তাদের কোন ওজন স্থির করবো না। [বুখারীঃ ৪৪৫২, মুসলিমঃ
২৭৮৫] আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহুর প্রশংসায় বর্ণিত এক হাদীসে
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তার পা দু’টি বাহ্যতঃ যতই সরু
হোক, যার হাতে আমার প্রাণ, সেই সত্তার কসম, কেয়ামতের দাড়িপাল্লায় তার ওজন ওহুদ
পর্বতের চাইতেও বেশী হবে। [মুসনাদে আহমাদ: ১/৪২০]
রাসূলুল্লাহ
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, দুটি বাক্য উচ্চারণের দিক দিয়ে খুবই
হালকা; কিন্তু দাঁড়িপাল্লায় অত্যন্ত ভারী এবং আল্লাহর কাছে অতি প্রিয়। বাক্য
দুটি হচ্ছে, ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী’, ‘সুবহানাল্লাহিল আযীম’। [বুখারীঃ
৭৫৬৩]
রাসূলুল্লাহ
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেছেনঃ ‘সুবহানাল্লাহ’ বললে আমলের
দাড়িপাল্লার অর্ধেক ভরে যায় আর ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বললে বাকী অর্ধেক পূর্ণ হয়ে
যায়। [মুসনাদে আহমাদঃ ৪/২৬০, ৫/৩৬৫; সুনান দারমীঃ ৬৫৩] অনুরূপভাবে রাসূলুল্লাহ
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ‘আমলের ওজনের বেলায় কোন আমলই
সচ্চরিত্রতার সমান ভারী হবে না’। [আবু দাউদঃ ৪৭৯৯; তিরমিযীঃ ২০০৩] অন্যত্র
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘যে ব্যক্তি জানাযার সাথে
কবরস্থান পর্যন্ত যায়, তার আমলের ওজনে দুটি কিরাত রেখে দেয়া হবে। [বুখারীঃ ১২৬১]।
অন্য এক বর্ণনায় এসেছে, এই কিরাতের ওজন হবে ওহুদ পাহাড়ের সমান। [মুসলিমঃ ৬৫৪]
কেয়ামতে আমলের ওজন সম্পর্কে এ ধরণের বহু হাদীস রয়েছে।
(৩) মানুষের জীবনের সমগ্র কার্যাবলী দুটি অংশে বিভক্ত হবে। একটি ইতিবাচক বা সৎকাজ এবং অন্যটি নেতিবাচক বা অসৎকাজ। ইতিবাচক অংশের অন্তর্ভুক্ত হবে সত্যকে জানা ও মেনে নেয়া এবং সত্যের অনুসরণ করে সত্যের খাতিরে কাজ করা। আখেরাতে এটিই হবে ওজনদার, ভারী ও মূল্যবান। আর সে মূল্যবান কাজের ফলাফলও মূল্যবান হবে। এ আয়াতে তা উল্লেখ না হলেও অন্য আয়াতে সেটা বর্ণিত হয়েছে। আল্লাহ বলেন, “অতঃপর যার পাল্লাসমূহ ভারী হবে, সে তো থাকবে সন্তোষজনক জীবনে।” [সূরা আল-কারি'আহ: ৬–৭] অর্থাৎ জান্নাতে।
।https://www.hadithbd.com/quran/subjectwise/detail/?sub=50
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহু সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘আল্লাহর নবি নূহ আলাইহিস সালাম মৃত্যুর সময় তাঁর ছেলেকে এ বলে অসিয়ত করেছেন যে, দুটি জিনিসের আমল করবে আর দুটি নিজিস থেকে বিরত থাকবে। আমলের আদেশ ছিল- ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’র (জিকির করা)। মনে রেখ! যদি সাত আসমান ও সাত জমিন এক পাল্লায় রাখা হয় আর অপর পাল্লায় ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ রাখা হয়; তবে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’র পাল্লা ভারি হবে। যদি সাত আসমান ও সাত জমিন একটি অবিচ্ছদ্য গোলাকার বৃত্ত হত, তাহলে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ ও ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি’ সবকিছুকে চুর্ণ-বিচুর্ণ করে ফেলতো। ইহা প্রতিটি জিনিসের দোয়া এবং এর মাধ্যমেই সৃষ্টিরাজি রুজি পেয়ে থাকে। আর তোমাকে নিষেধ করি শিরক ও অহংকার থেকে। (মুসনাদে আহমাদ, বুখারি, আদাবুল মুফরাদ)।
https://www.jagonews24.com/religion/article/613551
পরিচ্ছেদঃ ১/ রাসুলুল্লাহ (ﷺ) এর প্রতি
কিভাবে ওহী শুরু হয়েছিল
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ ـ رضى الله عنها ـ أَنَّ الْحَارِثَ بْنَ هِشَامٍ ـ رضى الله عنه ـ سَأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ كَيْفَ يَأْتِيكَ الْوَحْىُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عيه وسلم " أَحْيَانًا يَأْتِينِي مِثْلَ صَلْصَلَةِ الْجَرَسِ ـ وَهُوَ أَشَدُّهُ عَلَىَّ ـ فَيُفْصَمُ عَنِّي وَقَدْ وَعَيْتُ عَنْهُ مَا قَالَ، وَأَحْيَانًا يَتَمَثَّلُ لِيَ الْمَلَكُ رَجُلاً فَيُكَلِّمُنِي فَأَعِي مَا يَقُولُ ". قَالَتْ عَائِشَةُ رضى الله عنها وَلَقَدْ رَأَيْتُهُ يَنْزِلُ عَلَيْهِ الْوَحْىُ فِي الْيَوْمِ الشَّدِيدِ الْبَرْدِ، فَيَفْصِمُ عَنْهُ وَإِنَّ جَبِينَهُ لَيَتَفَصَّدُ عَرَقًا
২। আবদুল্লাহ ইবনু ইউসুফ
(রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, হারিস ইবনু হিশাম (রাঃ) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ! আপনার প্রতি ওহী কিভাবে আসে?
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ কোন সময় তা ঘন্টাধ্বনির ন্যায়
আমার নিকট আসে। আর এটি-ই আমার উপর সবচাইতে কষ্টদায়ক হয় এবং তা সমাপ্ত হতেই ফিরিশতা
যা বলেন আমি তা মুখস্থ করে নিই, আবার কখনো ফিরিশতা মানুষের আকৃতিতে আমার সঙ্গে কথা
বলেন। তিনি যা বলেন আমি তা মুখস্থ করে ফেলি। আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি প্রচন্ড শীতের
দিনে ওহী নাযিলরত অবস্থায় তাঁকে দেখেছি। ওহী শেষ হলেই তাঁর কপাল থেকে ঘাম ঝরে পড়ত।
তাহক্বীক: মারফু হাদিস।
তাখরীজ: ( বুখারীঃ তা.পা ২, ৩২১৫;
তিরমিযীঃ ৩৯৯৪; নাসাঈঃ ৯৪২; আহমাদঃ ২৬৯৫২; মুয়াত্তাঃ ৪৭৯। মুসলিম ৪৩/২৩, হা: ২৩৩৩
, আহমাদ ২৫৩০৭ ( আধুনিক প্রকাশনী. ২ , ই.ফা. ২)
বিজ্ঞান
ইসলামী সৃষ্টি তত্ত্বের যে সকল বিষয়ের দ্বারপ্রান্তে
ইসলামী জগতে সৃষ্টিতত্ত্ব
এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিজ্ঞানের যতসব চিন্তা-ভাবনা, গবেষণা তার প্রায় সবই
মহাজাগতিক সৃষ্টি তত্ত্বকে মূলতঃ কেন্দ্র করে। পবিত্র কুরঅআনের প্রথম সূরাহ আল
অআলাক্বের প্রথম আয়াতের সর্বপ্রথম কালাম বা বাক্যের ৪র্থ শব্দটি হচ্ছে খ্বলাক্ব
অর্থাৎ সৃষ্টি। মহান আল্লাহ শুরুতেই নিজ পরিচিতিমূলক যে দুইটি আসমাউস-সিফাত তথা
আসমাউল হুসনা ব্যক্ত করেন সেগুলি হচ্ছে ১) রব ২) খ্বলাক্ব। এর পর বিভিন্ন সূরাহর
পরতে পরতে সৃষ্টি তত্ত্ব বিষয়ে আলোকপাত করা হয়েছে। তাই ইসলামী জগতে সৃষ্টিতত্ত্ব
এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বটে।
বলা হয়ে থাকে, বর্তমান যুগ
বিজ্ঞানের পরম উৎকর্ষতার যুগ। এটি এনালগ যুগ পেরিয়ে বর্তমান ডিজিটাল যুগে প্রবেশ
করেছে। আলহামদুলিল্লাহ, দিন যতই যাচ্ছে বিজ্ঞান ততই ইসলামী সৃষ্টি তত্ত্বের
কাছাকাছি পৌঁছাচ্ছে যা সত্যি সুসংবাদ বটে।
১) হাইয়েস্ট এনার্জেটিক
রেডিয়েশন।
২) বিগ ব্যাং (যা সূরাহ
আম্বিয়ার ৩০ নং আয়াতের সমার্থক)
বিজ্ঞানীদের দাবী, বিগ
ব্যাংয়ের মাধ্যমে মৌলিক কণার উদ্ভব। অতঃপর পর্যায়ক্রমে অপরাপর কণা পদার্থের রূপ
রূপান্ত ঘটে গ্রহ নক্ষত্রের উদ্ভব।
পবিত্র কুরআনের সূরাহ
ইয়াসীন মতে কুন শব্দে সৃষ্ট যুক্ত আসমান-জমিন পরে পৃথক হয়। পরবর্তীতে মহাবিশ্বকে
ঢেলে সাজাতে সময় নেন অন্ততঃ ৬ কাল বা ৬ দিবস। মধ্যবর্তীতে ব্যাক গ্রাউন্ড
রেডিয়েশনের কম্পিউটার সিমুলেশনের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যাদি বিজ্ঞানের একান্ত নিজস্ব
ব্যাপার। এ মতে, বিগ ব্যাংয়ের পর মৌলিক কণা ইলেকট্রন+কোয়ার্কের উদ্ভব।
জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টিঃ
মডার্ণ কসমোলজিক্যাল
স্ট্যান্ডার্ড মডেল মতে, হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের মহা বিস্ফোরণ বা বিগ
ব্যাং থেকে মহাবিশ্বের অস্তিত্বের সূচনা। এই
বিগ ব্যাংয়ের শুরু হয়েছিল মূলতঃ ১) অবস্ত্তগত মহাশুন্য বা আকাশ এবং ২) তদস্থিত
বস্তুকণা দ্বারা গঠিত গ্রহ-উপগ্রহ, নক্ষত্র, ছায়াপথসহ অগণিত গ্যালাক্সি, কোয়াসার
ইত্যাদির মাধ্যমে। শুরুতে ভরযুক্ত কণা-পদার্থের উদ্ভব ঘটেনি। প্রথমে ছিল ফোটন আর ফোটন। আর গোটা মহাকাশ
জুড়ে ছিল শক্তি আর শক্তি। বিজ্ঞানীদের মতে, সর্বপ্রথম ভরসমৃদ্ধ বস্ত্ত কণার উদ্ভব
ঘটে হিগস ফিল্ডে বিদ্যমান শক্তি থেকে। গ্রহ-নক্ষত্র শুরুতে
দু প্রকার কণা ছিল যথা ১) ইলেকট্রন জাতীয় ২) কোয়ার্ক জাতীয়। ১) ভরবিহীন ফোটন এবং
২) ভরযু্ক্ত হিগস বোসন।
কণা পদার্থ বিজ্ঞানের মতে, শুরুতে
ফোটন, হিগস বোসন, কোয়ার্ক, ইলেকট্রন জাতীয় মৌলিক কণার উদ্ভব ঘটেছিল। এসব কণারা
ছিল মহাবিশ্বের মহাসৃষ্টির প্রথম ধাপ। পরবর্তীতে হাইড্রোজেন, হিলিয়াম, পরমাণু
(অ্যাটম-নিউক্লিয়ার), নিউট্রন, প্রোটন ইত্যাদি-এসব হচ্ছে মহাবিশ্বের দ্বিতীয়
ধাপের সৃষ্টি। তৃতীয় ধাপে চলে পরমাণুতে প্রোটনের সংখ্যাভেদে বিভিন্ন প্রকার ধাতু
যথাঃ পারদ, সালফার, সীসা, লোহা ইত্যাদি। এসব ধাতুর শ্রেণিবদ্ধতাকে বলা হয় পর্যায়
সারণি। পর্যায় সারণি ছাড়াও রমন ইফেক্টও বিভিন্ন প্রকার প্রাকৃতিক ধাতু উদ্ভবের
উৎস। এনালগ তত্ত্ব মতে, মহাবিশ্বের মূলোৎস বা বীজ হচ্ছে হাইয়েস্ট এনার্জেটিক
রেডিয়েশন। প্রত্যক বিষয় যদি মূলে পৌঁছে সে মূলের নাম ফারাবীর মত অনুসারে হাইয়েস্ট
এনার্জেটিক রেডিয়েশন-যার বিস্ফোরণে আকাশ এবং গ্রহ-নক্ষত্রের উদ্ভব।
হাইয়ে এনার্জেটিক রেডিয়েশন (উচ্চশক্তির বিকিরণ) কী?
মডার্ণ
কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল মতে, হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনেই নিহিত ছিল
মহাবিশ্বের বীজ। ৪ মহাবল যথাঃ ১) বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল ২)সবল ও ৩) দূর্বল নিউক্লিয়
বল এবং ৪) মহাকর্ষ বলসহ ভরবিহীন ফোটন, ভরযুক্ত কোয়ার্ক, ইলেকট্রন, পরমাণু,
নিউট্রন, প্রোটনসহ তাবৎ বস্ত্তকণা এই হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন নামক অসীম
ভরসম্পন্ন অতি সূক্ষ্ণ শক্তি বিন্দুতেই একীভূত ছিল।
উল্লেখ্য,
বর্তমানে হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের আদলে মৃত নক্ষত্রের পরিণতি লাভ ঘটে
ব্ল্যাক হোল নামে-যাতে নক্ষত্রের সকল উপকরণ-উপাদান পরম সূক্ষ্ণতা প্রাপ্তির মধ্য
দিয়ে ঐ ব্ল্যাকহোলে কেন্দ্রীভূত হয় যাকে ইভেন্ট হরিজন বা ঘটনাদিগন্ত বলা হয় । আইনস্টাইনের
পরিভাষায় এই পরিণতির নাম সিঙ্গুলারিটি বা পরম বিন্দু। কোয়ান্টাম তত্ত্বমতে, কণারা
যদিও বাহ্যিকভাবে অতি সূক্ষ্ণ বিন্দুসম কিন্ত্ত......মাত্রার মাইক্রোস্কোপে এটি আসলে
স্ট্রিং বা তন্তু বা সুতা (তারের) ন্যায় লম্বাটে।
কণা
পদার্থ বিজ্ঞানের মতে যেমন প্রত্যেক অণু কণা কম্পমান তেমনি স্ট্রিং থিওরি মতেও
স্ট্রিং তন্তু বা সুতা (তার)ও কম্পমান। পর্যায় সারণিমতে, পরমাণুতে প্রোটনের
সংখ্যাভেদে .................টিকে হাইড্রোজেন, ..........টিকে নাইট্রোজেন
ইত্যাদি বলা হয়, স্ট্রিং মতে প্রতিটি বস্তুকণার ভিন্ন ভিন্ন অস্তিত্ব পরমাণুতেপরমাণুতে
প্রোটনের সংখ্যাভেদ নয়, বরং স্ট্রিংয়ের কম্পন মাত্রায় ভিন্নতায় ভিন্ন ভিন্ন
অণু-কণার উদ্ভব। প্রত্যেক বিষয় মূলে পৌঁছে এই সূত্র মতে, কম্পনের মূলে রয়েছে
শক্তি(এনার্জি) যার নাম হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন। সার্বিক একীভূত তত্ত্ব বলা
যায় হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনেই নিহিত যা স্ট্রিংয়ের কম্পনের মূলোৎস।
আইনস্টাইনের ভরশক্তি
তত্ত্ব বনাম স্ট্রিং থিওরিঃ
E=mc2 মতে, জমে থাকা শক্তি
জমাটবদ্ধ বস্তুর মতই। সেমতে বস্ত্ত এবং শক্তি সমার্থক।সির্ণের সম্ভবত ভরবিহীন “ফোটন”
হিগস ফিল্ডে বিদ্যমান শক্তি (Energy) এর সংস্পর্শে এসে ভরত্ব লাভ করে হিগস
বোসন কণায় রূপান্তরিত হয়। আইনস্টাইনের তত্ত্ব মতে, যেহেতু ভর শক্তি থেকে প্রাপ্ত
সেহেতু ভর এবং শক্তি এবং শক্তি এবং ভর সমার্থক।
আইনস্টাইনের ভরশক্তি
তত্ত্ব বনাম স্ট্রিং থিওরিঃ
E=mc2 মতে, জমে থাকা শক্তি
জমাটবদ্ধ বস্তুর মতই। সেমতে বস্ত্ত এবং শক্তি সমার্থক।সির্ণের সম্ভবত ভরবিহীন
“ফোটন” হিগস ফিল্ডে বিদ্যমান শক্তি (Energy) এর সংস্পর্শে এসে ভরত্ব
লাভ করে হিগস বোসন কণায় রূপান্তরিত হয়। আইনস্টাইনের তত্ত্ব মতে, যেহেতু ভর শক্তি
থেকে প্রাপ্ত সেহেতু ভর এবং শক্তি এবং শক্তি এবং ভর সমার্থক।
সির্ণ
হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন-কে স্ট্যান্ডার্ড ধরে বিশ্বের অবকাঠামোর স্থির
ধারণায় বিশ্বাসী। কারণ হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন এর বিস্ফোরণেই বিগ ব্যাংয়ের
উদ্ভব মর্মে স্ট্যান্ডার্ড মডেলের দাবী। বিগ ব্যাং এর মাধ্যমে হাইয়েস্ট এনার্জেটিক
রেডিয়েশন কত শতাংশ শক্তি হারিয়েছে? যেহেতু ডার্ক ম্যাটার এবং ডার্ক এনার্জিসহ
দৃশ্যমান অদৃশ্যমান বাকী অংশ যদ্বারা মহাবিশ্বের গাঠনিক কাঠামো বিজ্ঞানীরা ব্যাক
গ্রাউন্ড রেডিয়েশনের কম্পিউটার সিমুলেশনের মাধ্যমে, শক্তিশালী হাবল, জেমস ওয়েবসহ
অপরাপর বৈজ্ঞানিক সাজ –সরন্জামের মাধ্যমে অবগত হয়েছেন সেহেতু ধরা যেতে পারে এ যাবৎ
কালের মহাবিশ্বের মাত্রা ত্রিমাত্রিক যথা
১) ডার্ক এনার্জি ২) ডার্ক ম্যাটার এবং ৩) জানা পদার্থ। এ সূত্রে বলতে পারি, হাইয়েস্ট
এনার্জেটিক রেডিয়েশনের বিস্ফোরণে হাইয়েস্ট
এনার্জেটিক রেডিয়েশন তার শক্তিমত্তা খুইছেন ত্রিমাত্রিক। যদিও ১) ডার্ক এনার্জি ২)
ডার্ক ম্যাটার সরাসরি অবগত নন তথাপি স্ট্রেন্জ কোয়ার্কের মতই শক্তিশালী অবস্থান
জানান দিচ্ছে এই ১) ডার্ক এনার্জি ২) ডার্ক ম্যাটার । যেমন জানান দিচ্ছে স্ট্রি ও
তার কম্পন। এ যাবৎ প্রাণ, রুহ অআত্মা কোনো শক্তিশালী অণুবিক্ষণ যন্ত্রে আজও ধরা
পড়েনি সত্য কিন্তু এর অস্তিত্ব শতভাগ সত্য । কারণ, এই প্রাণ বায়ু বের হলে চিকিৎসা
বিজ্ঞানীরা ডেটথ ঘোষণা করে, ডেটথ সার্টিফিকেট ইস্যু করে যার ফলে সম্ভবপর হয় মৃত
ব্যক্তি দাফন-কাফন সৎকারের অধিকারী হয়। নচেৎ নয়।
যত কম্পন তত শক্তি, যত
শক্তি তত কম্পন
“যত
কম্পন তত শক্তি”, “যত শক্তি তত কম্পন”। যেমন “যত শব্দ তত কম্পন”, “যত কম্পন তত
শব্দ”, “যত শক্তি তত শব্দ”, “যত শব্দ তত কম্পন”, “যত কম্পন তত শক্তি”, “যত শক্তি
তত কম্পন”, তত শব্দ। সুতরাং, “কম্পন শক্তি”, “কম্পন শব্দ”, “শক্তি শব্দ”, “শব্দ
শক্তি” সমার্থক যেমন “ভর ও শক্তি” এবং “শক্তি ও ভর” যেমন সমার্থক তেমনি “বস্তু ও
ভর” এবং “ভর ও বস্তু” তেমনি “বস্তু ও শক্তি” এবং “শক্তি ও বস্তু” সমার্থক। এ
সূত্রে “ডার্ক এনার্জি ও ডার্ক ম্যাটার” এবং “ডার্ক ম্যাটার ও ডার্ক এনার্জি”
সমার্থক। আইনস্টাইনের বিশেষ অআপেক্ষিকতার মূল কথাই হলোঃ জমে থাকা শক্তি জমাটবদ্ধ
বস্তুর মতই। সুতরাং ডার্ক এনার্জি ২) ডার্ক
ম্যাটার এবং ৩) জানা পদার্থ সবই শক্তির রূপ রূপান্তর মাত্র। সবের সাধারণ উৎসমূল হাইয়েস্ট
এনার্জেটিক রেডিয়েশন। এই পর্যায়ে অআমরা দ্বিমাত্রিক মহাবিশ্বের একমাত্রিক অবস্থা
অর্থাৎ বস্তু তথা শক্তিগত অবকাঠামোর স্বরূপ জানতে পারি মাত্র। বাকী মাত্রাটি
হচ্ছে মহাবিশ্বের জ্ঞান মাত্রিকতা।
কম্পাংক বনাম
স্ট্রিং থিওরি
স্ট্রিং-কে
কাঁপায় কে?
Comments
Post a Comment